মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০

"স্বেচ্ছাসেবী সম্মাননা ২০১৯" পুরস্কার পাওয়ায় আমাদের চুয়াডাঙ্গা'র পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা


একজন কৃষি বায়োস্কোপ ওয়ালার গল্প। সফল কৃষি উদ্যগের রুপকারদের বাস্তব গল্প কথার ভিডিও ও চিত্রধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে প্রচার করে আসছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃষি কর্মকতা জনাব তালহা জুবাইর মাসরুর।এর মধ্যদিয়ে আগ্রহী নবীন উদ্যোগতাদের  আকৃষ্ট করার মধ্য দিয়ে কৃষি সম্প্রসারণে অবদান রেখে চলেছেন।যার ফলশ্রুতিতে তিনি প্রথম আলো স্বেচ্ছাসেবী সম্মাননা ২০১৯ পুরষ্কার পান।


গাইদঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বখতিয়ার হামিদ তরুনদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'কেয়ার ফর আনক্লেমইড বিস্ট কাব' অসুস্থ ও বন্য প্রানিদের জন্য গড়ে তুলেছেন হাসপাতাল। যার ফলশ্রুতিতে প্রথম আলো সম্মাননা ২০১৯ পুরষ্কার পান।

সারাদেশে মোট ১০ জনকে  স্বেচ্ছাসেবী সম্মাননা পুরষ্কার প্রদান করা হয়। যার মধ্য চুয়াডাঙ্গা থেকেই দুইজন এই পুরষ্কার  লাভ করে চুয়াডাঙ্গার জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে 'আমাদের চুয়াডাঙ্গা'র পক্ষ থেকে সহকারি শিক্ষক বখতিয়ার হামিদ ও কৃষি কর্মকতা তালহা জুবাইর মাসরুর কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

আমাদের চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান জহির আহমেদ,  সাকিব আল বাশার, সাইদুর রহমান মিল্টন, রাজন সহ প্রমুখ।


শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০

হেফাজত-আওয়ামী লীগের সন্ধি ও দ্বন্দ্ব

 

অনেকেই বলে থা কেন যে, রাজনীতি হচ্ছে কৌশলের খেলা। এখানে স্থায়ী শত্রু বা মিত্র বলে কিছু নেই। যদিও বিষয়টি সরল নয়। কারণ রাজনৈতিক দলগুলো পরিচালিত হয় কিছু মৌলিক নীতি-আদর্শ দ্বারা। সেই নীতি-আদর্শ থেকে যদি কোনো দল সরে যায়, কিংবা নীতির সঙ্গে মিল নেই এমন কোনো দলের সঙ্গে আপস বা আঁতাত করে, তাহলে সেই দল সমালোচিত হয়। কারণ কোনো বিশেষ নীতির কারণেই একটি দলের সঙ্গে আরেকটি দলের পার্থক্য রচিত হয়। যে দল ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিতে বিশ্বাসী, তেমন দল যদি ধর্মীয় ভাবাদর্শচালিত কোনো দলের সঙ্গে সখ্য গড়ে, তাহলে সেই দলের নীতিনিষ্ঠা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

আমাদের দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল হচ্ছে আওয়ামী লীগ (এই মন্তব্যে অনেকেই হয়তো খেঁকিয়ে উঠবেন, এর যুক্তিযুক্ত কারণও হয়তো আছে। কিন্তু তারপরও মোটাদাগে, অন্তত কাগজেকলমে আওয়ামী লীগকে এই দুই আদর্শের সমর্থক দলই বলতে হবে)। অন্যদিকে হেফাজতে ইসলামী একটি ধর্মীয় ভাবাদর্শচালিত দল। দলটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বলে কখনও শোনা যায়নি। এ দলটি ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলে। নারী নেতৃত্ব ও নারী শিক্ষাকেও তারা ভালো চোখে দেখে না। সেই বিবেচনায় আওয়ামী লীগ ও হেফাজত দুই মেরুর দুই রাজনৈতিক দল। কিন্তু রাজনীতির খেলা এতই বিচিত্র যে, এই দল দুটির মধ্যে গত সাত বছরে বেশ দহরম-মহরম দেখা গেছে। আবার সম্পর্ক তিক্তও হয়েছে।

হেফাজত প্রথম আলোচনায় আসে সাত বছর আগে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ২০১৩ সালে বাংলাদেশে যখন প্রগতিশীল ছাত্র-যুবরা রাজধানীর শাহবাগে আন্দোলনে নেমেছিলেন, তখন আহমদ শফীর নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে ১৩ দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। এক পর্যায়ে ৫ মে তারা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্দেশ্যে মতিঝিলে লক্ষ লক্ষ কর্মীসমাবেশ করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সিপিবি অফিস, বায়তুল মোকাররমের দোকানপাট ও কয়েকটি সরকারি অফিসে আগুন জ্বালিয়ে সরকারের আসন্ন পতনের লক্ষ্যে তারা চালিয়েছিল বহ্নুৎসব। সেদিন তাদের মিত্র ছিল সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ধারণা করেছিলেন, হেফাজতি অভ্যুত্থান দিয়ে সরকারের পতন ঘটানো যাবে। কিন্তু সরকারের পতন ঘটেনি। গভীর রাতে পুলিশ দিয়ে হেফাজতকর্মীদের ঢাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। তখন নিরাশ হয়েছিলেন বিএনপি ও হেফাজত উভয় নেতৃত্বই। সেই সময় হেফাজত নেতারা আওয়ামী লীগ সরকারকে মুরতাদ, নাস্তিক ইত্যাদি অভিধাও দিয়েছিল।

ধর্ম নিয়ে রাজনীতির শেষ হবে কি?

 

এবার বিজয় দিবসে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির পক্ষে নতুন করে শপথ উচ্চারিত হয়েছে। ভাস্কর্য তথা মূর্তির বিরোধিতার নামে সাম্প্রদায়িক শক্তি নতুন করে ফণা তোলার কারণেই এক ধরনের প্রতিবাদী মনোভাব বিজয় দিবস উদযাপনকে ঘিরে দেখা গেছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনাও এবার বিজয়ের মাসে ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বলেছেন, “মনে রাখতে হবে, সকলে এক হয়ে মুক্তিযুদ্ধে রক্ত ঢেলে দিয়ে এদেশ স্বাধীন করেছি। যার যা ধর্ম তা পালনের স্বাধীনতা সকলেরই থাকবে। আমরা সেই চেতনায় বিশ্বাস করি এবং ইসলাম আমাদের সে শিক্ষাই দেয়।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, “আমি একটা কথাই বলব, এই মাটিতে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষের বসবাস থাকবে অর্থাৎ আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে অন্য ধর্মকে অবহেলার চোখে দেখবো না।”

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নীতিগত অবস্থানের কথা বলেছেন। আসলে এমনটাই হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে কি সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হয়েছে? সংখ্যাগুরু আর সংখ্যালঘুরা কি এক অবস্থানে আছে? বিষয়টি একটু আলোচনার দাবি রাখে।

মানুষকে সংখ্যা দিয়ে গণনা করে সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালঘু হিসেবে বিভাজন করাটা সমীচীন না হলেও এটা বিশ্বব্যাপীই হয়ে আসছে। সংখ্যালঘুরা সব দেশে, সব সমাজেই কিছুটা আলাদা, তাদের অধিকার ও মর্যাদা সব ক্ষেত্রে এক রকম নয়। মূলত ধর্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে এটা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে আরো নানাভাবেই এই ভাগ-বিভক্তি করা যায়, করা হয়। ধর্ম ছাড়াও মানুষের বর্ণ (গায়ের রং), বিশ্বাস, চিন্তা ইত্যাদি দিয়েও সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু নিরূপিত হয়ে থাকে।

মোটা দাগে পৃথিবীতে ধর্মবিশ্বাসীরা সংখ্যাগুরু আর ধর্মে অবিশ্বাসীরা সংখ্যালঘু। আস্তিক-নাস্তিক লড়াই নতুন নয়। কোথাও সাদা রঙের মানুষ সংখ্যাগুরু, কোথাও কালো রঙের। কোথাও মুসলমান সংখ্যাগুরু, কোথাও হিন্দু, কোথাও খ্রিস্টান, কোথাও বৌদ্ধ কিংবা অন্য কোনো ধর্ম বিশ্বাসী। এক ধর্মের মানুষের মধ্যেও সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু আছে, থাকতে পারে। যেমন কোথাও শিয়া মুসলমান সংখ্যালঘু, কোথাওবা সুন্নি। খ্রিস্টানদের মধ্যে ক্যাথলিক প্রোটেস্টান আছে। হিন্দুদের বর্ণ বিভাজন তো মারাত্মক।

বিশ্বাস এবং চিন্তার ক্ষেত্রেও সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু আছে। তবে আমরা বাংলাদেশে প্রধানত ধর্মের ভিত্তিতেই সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু নির্ধারণ করে থাকি। বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগুরু আর সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীরা সংখ্যালঘু।

কিন্তু এমনটা হওয়ার কথা ছিল না। দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে জন্ম নেওয়া সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান রাষ্ট্রটি যখন একটি সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে দুই খণ্ড হয়ে নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটল তখন স্বভাবতই আশা করা হয়েছিল যে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি আর পাকিস্তানি কোনো লিগাসি বা মন্দ উত্তরাধিকার কিংবা ধারা বহন করবে না। পাকিস্তান ছিল ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম থাকবে না। রাষ্ট্রটি হবে অসাম্প্রদায়িক এবং গণতান্ত্রিক চরিত্রের। ধর্ম হবে মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাস, আচরণ ও পালনের বিষয়। রাষ্ট্র হবে সবার, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান– সব মানুষের। এমনকি গরিবের, নিঃস্বের, ফকিরেরও। রাষ্ট্র বিশেষ কোনো ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করবে না। বিত্তবান এবং বিত্তহীনদের যে বৈষম্য অর্থাৎ ধনবৈষম্য কমিয়ে একটি সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র্রের আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছিল বাহাত্তরের সংবিধানে।

অভিনেতা আবদুল কাদেরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক


সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে রদবদল

 

পরের তিন ম্যাচে আর্সেনালের ‘ভাগ্য নির্ধারণ’

গত বছরের ডিসেম্বরে উনাই এমেরির স্থলাভিষিক্ত হওয়া আর্তেতা অবশ্য ব্যর্থতার কোনো অজুহাত দিচ্ছেন না। চেলসি ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে দলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে আর্তেতা জানান, আসছে সপ্তাহটি তার দলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

সময়টা ভালো যাচ্ছে না আর্সেনালের।  

 প্রিমিয়ার লিগে সবশেষ ১০ ম্যাচে আর্সেনালের জয় কেবল একটি। পয়েন্ট তালিকায় তারা নেমে গেছে ১৫ নম্বরে।

ঘরের মাঠে শনিবার আর্সেনালের প্রতিপক্ষ চেলসি। এরপর তারা খেলবে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের মাঠে, ২০২০ সালে যে দলের ঘরের মাঠে একমাত্র জয় আর্সেনালের বিপক্ষেই, গত মৌসুমে। আর্তেতার দলের পরের প্রতিপক্ষ অবনমন অঞ্চলে থাকা ওয়েস্ট ব্রমউইচ অ্যালবিয়ন।

“প্রিমিয়ার লিগে আমাদের অবস্থান কী হতে পারে, তা জানতে ও বুঝতে আগামী সাত থেকে আট দিন হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।”

এফএ কাপ জিতে গত মৌসুম শেষ করা আর্সেনালের নতুন মৌসুমের শুরুটাও ছিল দারুণ। গত অগাস্টের শেষে লিভারপুলকে হারিয়ে তারা জিতে নেয় কমিউনিটি শিল্ড। সঙ্গে লিগে শুরুর চার ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছিল দলটি।

এরপরই ছন্দপতন; একের পর এক হার ও ড্র। গত ১ নভেম্বর লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরেছিল আর্সেনাল। এরপর টানা সাত ম্যাচ নেই জয়ের দেখা।

মাঝে অবশ্য লিগ কাপে লেস্টার সিটি ও লিভারপুলের মাঠে জিতেছিল তারা। তবে গত সপ্তাহে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে হেরে প্রতিযোগিতাটি থেকে বিদায় নিয়েছে দলটি।

কোভিড-১৯: দেশে সাড়ে ৭ মাসে সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত

 


শনিবার বিকালে পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন যত রোগী শনাক্ত হয়েছে, তার দ্বিগুণ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা দেড় গুণ বেড়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা মোট মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েছে ৭ হাজার ৪২৮ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৬৮৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন হয়েছে।

নতুন শনাক্ত ৮৩৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৮ হাজার ৯৯ জন হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় এর চেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছিল গত ৯ মে। সেদিন ৬৩৬ রোগী কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

কোরবানির ঈদের পর দিনে শনাক্ত রোগী শনিবারই প্রথম হাজারের নিচে নামল। কোরবানির ঈদের পর দিন ২ অগাস্ট ৮৮৬ রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন মাত্র ৩ হাজার ৬৮৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৯১২টি নমুনা পরীক্ষা হয়, যা আগের দিনের চেয়ে সাড়ে ৩ হাজার কম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের তুলনায় নমুনা পরীক্ষা ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে, তার সঙ্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও ১৭দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে।